ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলাদেশ

লোহাগাড়ায় বয়স্ক ভাতার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ


মাইনউদ্দীন
মাইনউদ্দীন
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

লোহাগাড়ায় বয়স্ক ভাতার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বয়স্ক ভাতার কার্ড ও সরকারি গানের শিক্ষকের সনদ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী প্রদীপ শীল (৫৪)। 

অভিযুক্ত সুজন নাথ প্রকাশ ডা. সুজন নাথ (৪৮) উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সীতার বর বাড়ির মৃত হেমন্ত নাথের (হেমন্ত মাস্টার) ছেলে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের মল্লিক ছোবাং (৬ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকার বাসিন্দা প্রদীপ শীলের মা রানী শীলকে সরকারি বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিগত চার বছর পূর্বে নগদ ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা নেন অভিযুক্ত সুজন নাথ। একই সাথে ভুক্তভোগীর মেয়ে পল্লবী শীলকে লোহাগাড়া উপজেলা থেকে সরকারিভাবে গানের শিক্ষকের সনদ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রদীপ শীলের স্ত্রী কৃষ্ণা বালা শীলের কাছ থেকে আরও নগদ ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।ভুক্তভোগী প্রদীপ শীল বলেন, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও অভিযুক্ত সুজন নাথ বয়স্ক ভাতার কার্ড কিংবা গানের শিক্ষকের সনদ কোনোটিই ব্যবস্থা করে দেননি। পরবর্তীতে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারকে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি প্রদান করেন।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সুজন নাথ জানান, এরকম অভিযোগ কয় হাজার লাগবে? অভিযোগকারী থেকে আমার অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা দেখাতে বলেন। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ বিষয়ে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজীদ বিন আখন্দ বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হবে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

দৈনিক বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


লোহাগাড়ায় বয়স্ক ভাতার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বয়স্ক ভাতার কার্ড ও সরকারি গানের শিক্ষকের সনদ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী প্রদীপ শীল (৫৪)। 

অভিযুক্ত সুজন নাথ প্রকাশ ডা. সুজন নাথ (৪৮) উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সীতার বর বাড়ির মৃত হেমন্ত নাথের (হেমন্ত মাস্টার) ছেলে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের মল্লিক ছোবাং (৬ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকার বাসিন্দা প্রদীপ শীলের মা রানী শীলকে সরকারি বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিগত চার বছর পূর্বে নগদ ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা নেন অভিযুক্ত সুজন নাথ। একই সাথে ভুক্তভোগীর মেয়ে পল্লবী শীলকে লোহাগাড়া উপজেলা থেকে সরকারিভাবে গানের শিক্ষকের সনদ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রদীপ শীলের স্ত্রী কৃষ্ণা বালা শীলের কাছ থেকে আরও নগদ ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।ভুক্তভোগী প্রদীপ শীল বলেন, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও অভিযুক্ত সুজন নাথ বয়স্ক ভাতার কার্ড কিংবা গানের শিক্ষকের সনদ কোনোটিই ব্যবস্থা করে দেননি। পরবর্তীতে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারকে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি প্রদান করেন।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সুজন নাথ জানান, এরকম অভিযোগ কয় হাজার লাগবে? অভিযোগকারী থেকে আমার অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা দেখাতে বলেন। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ বিষয়ে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজীদ বিন আখন্দ বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হবে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


দৈনিক বাংলাদেশ


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক বাংলাদেশ