ঢাকা    সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলাদেশ

উন্নয়নের অপেক্ষায় গাঁওকান্দিয়া, চেয়ারম্যান হিসেবে ফারুক হাসানকে দেখতে চান স্থানীয়দের বড় একটি অংশ



উন্নয়নের অপেক্ষায় গাঁওকান্দিয়া, চেয়ারম্যান হিসেবে ফারুক হাসানকে দেখতে চান স্থানীয়দের বড় একটি অংশ

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে মোঃ ফারুক হাসানের নাম বেশ জোরেশোরেই আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের বড় একটি অংশ তাকে আগামী নির্বাচনে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।স্থানীয়দের দাবি, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরেই নানা দিক থেকে অবহেলিত। তাদের অভিযোগ, বিগত প্রায় ১৭ বছরে ইউনিয়নে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনো রয়েছে নানা সমস্যা। এর সঙ্গে প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলের পানিতে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ভাঙন ও ক্ষয়ক্ষতির কবলে পড়ে। এতে বর্ষা মৌসুমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।স্থানীয়দের ভাষ্য, পাহাড়ি ঢল নেমে আসার সময় বিভিন্ন সড়ক, কালভার্ট, বসতভিটা ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোথাও কোথাও ভাঙনের কারণে যোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত হয়। দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি থাকলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না আসায় ইউনিয়নবাসীর মধ্যে হতাশা রয়েছে বলে জানান তারা।এমন বাস্তবতায় আগামী নির্বাচনে পরিবর্তন ও কার্যকর নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়দের একটি অংশ। তাদের মতে, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নে প্রয়োজন পরিকল্পিত উদ্যোগ, টেকসই যোগাযোগব্যবস্থা, পাহাড়ি ঢল ও ভাঙন মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা।স্থানীয়দের বড় একটি অংশ মনে করেন, জনগণের সঙ্গে যার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে, তৃণমূলের মানুষের সমস্যা যিনি কাছ থেকে বোঝেন এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়—এমন নেতৃত্বই ইউনিয়নের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। তাদের প্রত্যাশার জায়গা থেকেই চেয়ারম্যান পদে মোঃ ফারুক হাসানের নাম সামনে এসেছে।মোঃ ফারুক হাসান বর্তমানে ভোটে নির্বাচিত ৭ নং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য। এর আগে তিনি ৭ নং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানান তার সমর্থকরা। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে তিনি কাজ করে আসছেন বলেও দাবি তাদের।সমর্থকদের মতে, ফারুক হাসানের তৃণমূলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা তাকে চেয়ারম্যান পদে একজন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এগিয়ে রেখেছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তাকে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও আগ্রহও তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আগামী দিনের জনপ্রতিনিধি শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। বিশেষ করে পাহাড়ি ঢলে প্রতিবছর সৃষ্ট ভাঙন ও ক্ষয়ক্ষতি রোধ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ মৌলিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোকে তারা অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।মোঃ ফারুক হাসান বলেন, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের মানুষের ভালোবাসা ও প্রত্যাশাকে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন। দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জনগণের পাশে থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভাঙন, যোগাযোগব্যবস্থার দুরবস্থা এবং শিক্ষা ও নাগরিক সুবিধার ঘাটতি দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। মানুষের সমর্থন ও আস্থা পেলে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নকে আরও উন্নত, জনবান্ধব ও বসবাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।তবে নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনে অংশ নেবেন, দলীয়ভাবে কারা সমর্থন বা মনোনয়ন পাবেন এবং ভোটারদের চূড়ান্ত রায় কার পক্ষে যাবে—তা নির্ধারিত হবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘদিনের উন্নয়ন ঘাটতি, পাহাড়ি ঢলের ভাঙন ও নানা নাগরিক সমস্যায় থাকা গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নে এবার পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়দের বড় একটি অংশ। আর সেই প্রত্যাশার জায়গা থেকেই চেয়ারম্যান পদে মোঃ ফারুক হাসানের নাম এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের এই আগ্রহ ভোটের মাঠে কতটা প্রভাব ফেলে এবং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের মানুষ কাকে তাদের চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নেন—সেদিকেই এখন নজর স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ ভোটারদের।

দৈনিক বাংলাদেশ

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


উন্নয়নের অপেক্ষায় গাঁওকান্দিয়া, চেয়ারম্যান হিসেবে ফারুক হাসানকে দেখতে চান স্থানীয়দের বড় একটি অংশ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে মোঃ ফারুক হাসানের নাম বেশ জোরেশোরেই আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের বড় একটি অংশ তাকে আগামী নির্বাচনে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।স্থানীয়দের দাবি, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরেই নানা দিক থেকে অবহেলিত। তাদের অভিযোগ, বিগত প্রায় ১৭ বছরে ইউনিয়নে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনো রয়েছে নানা সমস্যা। এর সঙ্গে প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলের পানিতে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ভাঙন ও ক্ষয়ক্ষতির কবলে পড়ে। এতে বর্ষা মৌসুমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।স্থানীয়দের ভাষ্য, পাহাড়ি ঢল নেমে আসার সময় বিভিন্ন সড়ক, কালভার্ট, বসতভিটা ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোথাও কোথাও ভাঙনের কারণে যোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত হয়। দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি থাকলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না আসায় ইউনিয়নবাসীর মধ্যে হতাশা রয়েছে বলে জানান তারা।এমন বাস্তবতায় আগামী নির্বাচনে পরিবর্তন ও কার্যকর নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়দের একটি অংশ। তাদের মতে, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নে প্রয়োজন পরিকল্পিত উদ্যোগ, টেকসই যোগাযোগব্যবস্থা, পাহাড়ি ঢল ও ভাঙন মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা।স্থানীয়দের বড় একটি অংশ মনে করেন, জনগণের সঙ্গে যার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে, তৃণমূলের মানুষের সমস্যা যিনি কাছ থেকে বোঝেন এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়—এমন নেতৃত্বই ইউনিয়নের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। তাদের প্রত্যাশার জায়গা থেকেই চেয়ারম্যান পদে মোঃ ফারুক হাসানের নাম সামনে এসেছে।মোঃ ফারুক হাসান বর্তমানে ভোটে নির্বাচিত ৭ নং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য। এর আগে তিনি ৭ নং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানান তার সমর্থকরা। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে তিনি কাজ করে আসছেন বলেও দাবি তাদের।সমর্থকদের মতে, ফারুক হাসানের তৃণমূলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা তাকে চেয়ারম্যান পদে একজন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এগিয়ে রেখেছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তাকে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও আগ্রহও তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আগামী দিনের জনপ্রতিনিধি শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। বিশেষ করে পাহাড়ি ঢলে প্রতিবছর সৃষ্ট ভাঙন ও ক্ষয়ক্ষতি রোধ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ মৌলিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোকে তারা অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।মোঃ ফারুক হাসান বলেন, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের মানুষের ভালোবাসা ও প্রত্যাশাকে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন। দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জনগণের পাশে থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভাঙন, যোগাযোগব্যবস্থার দুরবস্থা এবং শিক্ষা ও নাগরিক সুবিধার ঘাটতি দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। মানুষের সমর্থন ও আস্থা পেলে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নকে আরও উন্নত, জনবান্ধব ও বসবাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।তবে নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনে অংশ নেবেন, দলীয়ভাবে কারা সমর্থন বা মনোনয়ন পাবেন এবং ভোটারদের চূড়ান্ত রায় কার পক্ষে যাবে—তা নির্ধারিত হবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘদিনের উন্নয়ন ঘাটতি, পাহাড়ি ঢলের ভাঙন ও নানা নাগরিক সমস্যায় থাকা গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নে এবার পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়দের বড় একটি অংশ। আর সেই প্রত্যাশার জায়গা থেকেই চেয়ারম্যান পদে মোঃ ফারুক হাসানের নাম এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের এই আগ্রহ ভোটের মাঠে কতটা প্রভাব ফেলে এবং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের মানুষ কাকে তাদের চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নেন—সেদিকেই এখন নজর স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ ভোটারদের।


দৈনিক বাংলাদেশ


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক বাংলাদেশ