স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প-৯ এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দুল লতিফ মাস্টারের ছেলে সাহাব উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় এক ব্যক্তি অভিযোগ করে জানান, সাহাব উদ্দিন মাসিক এক হাজার ৫০০ টাকা হারে প্রায় পাঁচ শতাধিক রোহিঙ্গা পরিবারকে পানি সরবরাহ করছেন। একই সঙ্গে তার নেতৃত্বে রোহিঙ্গাদের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা গফুর জানান, সাহাব উদ্দিন দুটি বিদ্যুতের মিটার ব্যবহার করেন। এর মধ্যে একটি মিটার দিয়ে রোহিঙ্গাদের পানি সরবরাহের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং অন্য মিটারটি ব্যবহার করা হয় বন বিভাগের জায়গায় নির্মিত তার মার্কেটে। অভিযোগ রয়েছে, ওই মার্কেটের দোকানগুলো রোহিঙ্গাদের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য প্রতি ইউনিটে ৩৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে।
এছাড়া বন বিভাগের পাহাড় কেটে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগও রয়েছে সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, ওই বাড়িতে স্থাপিত বিদ্যুতের মিটারের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, পালংখালী ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করেই সাহাব উদ্দিন এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তবে এ অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারির অভাবে অবৈধ সংযোগের এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে উখিয়া উপজেলার সাধারণ মানুষ নিয়মিত লোডশেডিংয়ের ভোগান্তিতে পড়ছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, যেখানে বৈধ গ্রাহকরা বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছেন, সেখানে অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে একটি চক্র লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
এ ব্যাপারে উখিয়া পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম কাইজার নুর বলেন, “রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি কোনো ব্যক্তি বৈধ সংযোগের আড়ালে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকেন, তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। লিখিত অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প-৯ এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দুল লতিফ মাস্টারের ছেলে সাহাব উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় এক ব্যক্তি অভিযোগ করে জানান, সাহাব উদ্দিন মাসিক এক হাজার ৫০০ টাকা হারে প্রায় পাঁচ শতাধিক রোহিঙ্গা পরিবারকে পানি সরবরাহ করছেন। একই সঙ্গে তার নেতৃত্বে রোহিঙ্গাদের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা গফুর জানান, সাহাব উদ্দিন দুটি বিদ্যুতের মিটার ব্যবহার করেন। এর মধ্যে একটি মিটার দিয়ে রোহিঙ্গাদের পানি সরবরাহের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং অন্য মিটারটি ব্যবহার করা হয় বন বিভাগের জায়গায় নির্মিত তার মার্কেটে। অভিযোগ রয়েছে, ওই মার্কেটের দোকানগুলো রোহিঙ্গাদের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য প্রতি ইউনিটে ৩৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে।
এছাড়া বন বিভাগের পাহাড় কেটে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগও রয়েছে সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, ওই বাড়িতে স্থাপিত বিদ্যুতের মিটারের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, পালংখালী ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করেই সাহাব উদ্দিন এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তবে এ অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারির অভাবে অবৈধ সংযোগের এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে উখিয়া উপজেলার সাধারণ মানুষ নিয়মিত লোডশেডিংয়ের ভোগান্তিতে পড়ছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, যেখানে বৈধ গ্রাহকরা বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছেন, সেখানে অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে একটি চক্র লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
এ ব্যাপারে উখিয়া পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম কাইজার নুর বলেন, “রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি কোনো ব্যক্তি বৈধ সংযোগের আড়ালে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকেন, তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। লিখিত অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
