লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ডা. এয়াকুব বজলুর রহমান সিকদার উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া ) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান। বিদ্যালয়ের ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর ক্লাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন এবং কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেন।
পরিদর্শন শেষে আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী এমপি বলেন, তুলনামূলকভাবে অন্যন্যদের চেয়ে লোহাগাড়ায় পড়ালেখার মান অনেক ভালো। স্কুলে শিক্ষার্থী রয়েছে বেশি। সেখানে দেখা গেছে শিক্ষকের সংখ্যা কম। একটি বিদ্যালয়ে সভাপতি হওয়া দরকার একজন শিক্ষাবিদ, আমরা সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতাদের সভাপতি হিসেবে দেখতে পাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা খুব মনোযোগী দেখেছি। এই বিদ্যালয়ের অনেক ঐতিহ্য রয়েছে। আমি মনে করি এই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ সকল শিক্ষকরা আন্তরিক ভাবে পড়াশুনার প্রতি গুরুত্ব দেয়, তাহলে এখান থেকে একজন বিসিএস ক্যাডার, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও ভালো মানের শিক্ষক তৈরী হবে। আগামীতেই এই বিদ্যালয় অবদান রাখতে সক্ষম হবে। আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধাপে ধাপে পরিদর্শন করে যাচ্ছি। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার মানুষকে শান্তি ও নিরাপদে রাখতে পারলেই সেটাই আমার কাছে বড় স্বার্থকতা ও প্রাপ্তি।
এসময় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী কাজি ফাহাদ বিন মাহমুদ, প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জসিম উদ্দিন, কলাউজান ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা ইদ্রিস, কলাউজান ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ডা. সিদ্দিক আহমদ, কলাউজান ডা. এয়াকুব বজলুর রহমান সিকদার উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী প্রকাশ নুরু, কলাউজান ইউপির চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) খোরশেদ আলম ভুট্টসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ অন্যন্যারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ডা. এয়াকুব বজলুর রহমান সিকদার উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া ) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান। বিদ্যালয়ের ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর ক্লাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন এবং কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেন।
পরিদর্শন শেষে আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী এমপি বলেন, তুলনামূলকভাবে অন্যন্যদের চেয়ে লোহাগাড়ায় পড়ালেখার মান অনেক ভালো। স্কুলে শিক্ষার্থী রয়েছে বেশি। সেখানে দেখা গেছে শিক্ষকের সংখ্যা কম। একটি বিদ্যালয়ে সভাপতি হওয়া দরকার একজন শিক্ষাবিদ, আমরা সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতাদের সভাপতি হিসেবে দেখতে পাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা খুব মনোযোগী দেখেছি। এই বিদ্যালয়ের অনেক ঐতিহ্য রয়েছে। আমি মনে করি এই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ সকল শিক্ষকরা আন্তরিক ভাবে পড়াশুনার প্রতি গুরুত্ব দেয়, তাহলে এখান থেকে একজন বিসিএস ক্যাডার, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও ভালো মানের শিক্ষক তৈরী হবে। আগামীতেই এই বিদ্যালয় অবদান রাখতে সক্ষম হবে। আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধাপে ধাপে পরিদর্শন করে যাচ্ছি। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার মানুষকে শান্তি ও নিরাপদে রাখতে পারলেই সেটাই আমার কাছে বড় স্বার্থকতা ও প্রাপ্তি।
এসময় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী কাজি ফাহাদ বিন মাহমুদ, প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জসিম উদ্দিন, কলাউজান ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা ইদ্রিস, কলাউজান ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ডা. সিদ্দিক আহমদ, কলাউজান ডা. এয়াকুব বজলুর রহমান সিকদার উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী প্রকাশ নুরু, কলাউজান ইউপির চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) খোরশেদ আলম ভুট্টসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ অন্যন্যারা উপস্থিত ছিলেন।
