কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যংয়ে ইয়াবা কারবারের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ শাহ আলম নামে এক ব্যক্তির আটকের খবরের পর মাদক সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগে তার ভাই শহিদুল্লাহর নাম সামনে এসেছে। তবে তিনি ঢাকা, চট্টগ্রাম অবস্থান করছে বলে জানা গেছে ।
টেকনাফের মিনাবাজারের স্থানীয়রা জানান , মিয়ানমার থেকে অবৈধ পথে ইয়াবা এনে টেকনাফ কক্সবাজারকে ব্যবহার করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহের সঙ্গে তারা দুই ভাইয়ের একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত ।
অভিযোগকারীদের দাবি, তাদের এ ধরনের কারবারের মূল হোতা, অর্থের জোগানদাতা, পরিবহনকারী ও সরবরাহকারীদের শনাক্ত করা না গেলে মাদকবিরোধী অভিযান কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাবে না।
আটক শাহ আলামকে ঘিরে তদন্তের দাবি
শাহ আলামের আটকের ঘটনায় জব্দ করা ইয়াবার প্রকৃত মালিকানা, চালানটির উৎস এবং এর সঙ্গে তার ভাই শহিদুল্লাহ সহ আর কারা জড়িত—এসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, একজনকে আটকের মধ্যেই তদন্ত সীমাবদ্ধ না রেখে মাদকের উৎস থেকে শুরু করে গন্তব্য পর্যন্ত পুরো সরবরাহব্যবস্থা অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।
অভিযোগে শহিদুল্লাহর নাম উঠে এলেও তাকে আইনের আওতায় আনা দরকার বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সাংবাদিক ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ
এদিকে, মাদক কারবারের অভিযোগ আড়াল করতে সাংবাদিক ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন অভিযোগকারী। তাঁদের দাবি, মাদকবিরোধী তৎপরতা এবং অপরাধসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর এ ধরনের প্রচারণা সামনে আসছে।
মাদকের উৎস থেকে সরবরাহ—পুরো নেটওয়ার্ক শনাক্তের দাবি
টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশ ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগের বিষয়। এ পরিস্থিতিতে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের পাশাপাশি চালানের উৎস, আর্থিক লেনদেন, পরিবহনপথ এবং তাদের সহযোগীদের শনাক্ত করতে সমন্বিত তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
তাঁদের দাবি, শাহ আলামের আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় তদন্ত চালিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করতে হবে।
মাদক কারবারের সঙ্গে তাদের সাথে যারাই জড়িত থাকুক, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা হয়রানির অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
অভিযুক্ত শহিদুল্লাহ এর বক্তব্য নিতে যোগাযোগ করা হলে সে জানান, আমার অনেক মামলা রয়েছে আমাকে কোন প্রশাসন কোন কিছু করতে পারবে না। এ বিষয়ে কক্সবাজার পুলিশ সুপার জানান, মাদক কারবারিদের আটক করতে প্রতিনিয়ত অভিযান চলমান রয়েছে। ইয়াবা গডফাদারদের আইনের আওতায় আনা হবে।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যংয়ে ইয়াবা কারবারের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ শাহ আলম নামে এক ব্যক্তির আটকের খবরের পর মাদক সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগে তার ভাই শহিদুল্লাহর নাম সামনে এসেছে। তবে তিনি ঢাকা, চট্টগ্রাম অবস্থান করছে বলে জানা গেছে ।
টেকনাফের মিনাবাজারের স্থানীয়রা জানান , মিয়ানমার থেকে অবৈধ পথে ইয়াবা এনে টেকনাফ কক্সবাজারকে ব্যবহার করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহের সঙ্গে তারা দুই ভাইয়ের একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত ।
অভিযোগকারীদের দাবি, তাদের এ ধরনের কারবারের মূল হোতা, অর্থের জোগানদাতা, পরিবহনকারী ও সরবরাহকারীদের শনাক্ত করা না গেলে মাদকবিরোধী অভিযান কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাবে না।
আটক শাহ আলামকে ঘিরে তদন্তের দাবি
শাহ আলামের আটকের ঘটনায় জব্দ করা ইয়াবার প্রকৃত মালিকানা, চালানটির উৎস এবং এর সঙ্গে তার ভাই শহিদুল্লাহ সহ আর কারা জড়িত—এসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, একজনকে আটকের মধ্যেই তদন্ত সীমাবদ্ধ না রেখে মাদকের উৎস থেকে শুরু করে গন্তব্য পর্যন্ত পুরো সরবরাহব্যবস্থা অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।
অভিযোগে শহিদুল্লাহর নাম উঠে এলেও তাকে আইনের আওতায় আনা দরকার বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সাংবাদিক ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ
এদিকে, মাদক কারবারের অভিযোগ আড়াল করতে সাংবাদিক ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন অভিযোগকারী। তাঁদের দাবি, মাদকবিরোধী তৎপরতা এবং অপরাধসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর এ ধরনের প্রচারণা সামনে আসছে।
মাদকের উৎস থেকে সরবরাহ—পুরো নেটওয়ার্ক শনাক্তের দাবি
টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশ ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগের বিষয়। এ পরিস্থিতিতে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের পাশাপাশি চালানের উৎস, আর্থিক লেনদেন, পরিবহনপথ এবং তাদের সহযোগীদের শনাক্ত করতে সমন্বিত তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
তাঁদের দাবি, শাহ আলামের আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় তদন্ত চালিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করতে হবে।
মাদক কারবারের সঙ্গে তাদের সাথে যারাই জড়িত থাকুক, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা হয়রানির অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
অভিযুক্ত শহিদুল্লাহ এর বক্তব্য নিতে যোগাযোগ করা হলে সে জানান, আমার অনেক মামলা রয়েছে আমাকে কোন প্রশাসন কোন কিছু করতে পারবে না। এ বিষয়ে কক্সবাজার পুলিশ সুপার জানান, মাদক কারবারিদের আটক করতে প্রতিনিয়ত অভিযান চলমান রয়েছে। ইয়াবা গডফাদারদের আইনের আওতায় আনা হবে।
