ঢাকা    সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
দৈনিক বাংলাদেশ

জবাব দিলেন কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক জমির উদ্দিন

শহরের নুনিয়ারছড়ায় প্রতিবেশ সংরক্ষণ কেন্দ্র দখলের অপচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার



শহরের নুনিয়ারছড়ায় প্রতিবেশ সংরক্ষণ কেন্দ্র দখলের অপচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তর
কক্সবাজারে ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের ভবনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা কার্যালয় আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছে।

প্রকাশিত সংবাদে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভবনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে যে ধারণা দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং এতে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জমির উদ্দিন স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়, নুনিয়ারছড়া এলাকায় পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ অনুযায়ী ‘নুনিয়ারছড়া গ্রাম সংরক্ষণ দল’ গঠন করা হয়। সমবায় অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত এ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি প্রতিবেশ সংরক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, কেন্দ্রটি পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কার্যালয় নয়। ফলে সেখানে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ বা এখতিয়ার নেই।

এতে আরও বলা হয়, পরিবেশ অধিদপ্তর একটি নিরপেক্ষ সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করে। তাই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্পৃক্ততা রয়েছে—এমন ধারণা দেওয়া বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন এবং তথ্যসমর্থিত নয়।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, কক্সবাজার পৌরসভার নুনিয়ারছড়া এলাকার প্রতিবেশ সংরক্ষণ কেন্দ্রটি দখলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, কেন্দ্রটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি প্রভাবশালী মহল নানা চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকদের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে পরিবেশ অধিদপ্তরকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং প্রকৃত মালিকানা বা ব্যবস্থাপনার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা উচিত। অন্যথায় বিভ্রান্তিকর তথ্য জনমনে ভুল ধারণার সৃষ্টি করতে পারে এবং একটি নিরপেক্ষ সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

দৈনিক বাংলাদেশ

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬


শহরের নুনিয়ারছড়ায় প্রতিবেশ সংরক্ষণ কেন্দ্র দখলের অপচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image
কক্সবাজারে ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের ভবনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা কার্যালয় আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছে।

প্রকাশিত সংবাদে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভবনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে যে ধারণা দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং এতে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জমির উদ্দিন স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়, নুনিয়ারছড়া এলাকায় পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ অনুযায়ী ‘নুনিয়ারছড়া গ্রাম সংরক্ষণ দল’ গঠন করা হয়। সমবায় অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত এ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি প্রতিবেশ সংরক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, কেন্দ্রটি পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কার্যালয় নয়। ফলে সেখানে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ বা এখতিয়ার নেই।

এতে আরও বলা হয়, পরিবেশ অধিদপ্তর একটি নিরপেক্ষ সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করে। তাই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্পৃক্ততা রয়েছে—এমন ধারণা দেওয়া বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন এবং তথ্যসমর্থিত নয়।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, কক্সবাজার পৌরসভার নুনিয়ারছড়া এলাকার প্রতিবেশ সংরক্ষণ কেন্দ্রটি দখলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, কেন্দ্রটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি প্রভাবশালী মহল নানা চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকদের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে পরিবেশ অধিদপ্তরকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং প্রকৃত মালিকানা বা ব্যবস্থাপনার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা উচিত। অন্যথায় বিভ্রান্তিকর তথ্য জনমনে ভুল ধারণার সৃষ্টি করতে পারে এবং একটি নিরপেক্ষ সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

দৈনিক বাংলাদেশ


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক বাংলাদেশ