নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
বান্দরবানের সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)। এ ঘটনায় জাহাঙ্গীর আলম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ১ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক কারবারে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের জালিয়াছড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
র্যাব-১৫ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের জালিয়াছড়ি এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের বসতবাড়িতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য মজুদ রয়েছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জাহাঙ্গীর আলম পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসতবাড়ির উঠানের পাশে মাটির নিচে বিশেষভাবে বস্তাবন্দি অবস্থায় লুকিয়ে রাখা ইয়াবার সন্ধান পাওয়া যায়।
র্যাব জানায়, মাটির নিচ থেকে ১০টি বান্ডেলে রাখা মোট ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিটি বান্ডেলে ১০ হাজার পিস করে ইয়াবা ছিল। এ ছাড়া মাদক কারবারে ব্যবহৃত একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর আলম নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের জালিয়াছড়ি এলাকার আলী আহমদ ও গুলবাহার দম্পতির ছেলে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে র্যাব। র্যাবের দাবি, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা থেকে অভিনব কৌশলে মাদক সংগ্রহ করে সে বান্দরবানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছিল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
র্যাব-১৫ জানিয়েছে, মাদকের মতো সামাজিক অভিশাপ নির্মূল এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও সাঁড়াশি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক বাংলাদেশ