ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক বাংলাদেশ

হোয়ানকে পুলিশ কর্মকর্তা ‘এসআই রাজু’ সেজে হৃদরোগীর কাছে ২ লাখ টাকা দাবি করেছে মোহাম্মদ হোসেন: থানায় জিডি



হোয়ানকে পুলিশ কর্মকর্তা ‘এসআই রাজু’ সেজে হৃদরোগীর কাছে ২ লাখ টাকা দাবি করেছে মোহাম্মদ হোসেন: থানায় জিডি
থানায় জিডি
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কালামারছড়ায় পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে এক অসুস্থ হৃদরোগীকে মোবাইল ফোনে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়ে দুই লাখ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। হুমকিতে আতঙ্কিত হয়ে ওই হৃদরোগী রাতে বাড়ি ছেড়ে চলে যান বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

ভুক্তভোগী নুরুল কবির মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব কালাজিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ফরুক আহমদের ছেলে এবং অসুস্থ হৃদরোগী বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট রাত ৯টা ৪৯ মিনিটে নুরুল কবিরের মোবাইল ফোনে একটি নম্বর থেকে কল আসে। কলকারী প্রথমে তার বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা এসেছে দাবি করে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে কলকারী নুরুল কবিরের কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করেন।

পরদিন সকাল ৮টা ৩২ মিনিটে অন্য একটি মোবাইল নম্বর থেকে আবার নুরুল কবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এ সময় কলকারী নিজেকে মহেশখালী থানার এসআই রাজু হিসেবে পরিচয় দিয়ে টাকা না দিলে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন। কলকারী ফোনে নিজেকে নোয়াখালী থেকে কথা বলছেন বলেও পরিচয় দেন।

হঠাৎ পুলিশ পরিচয়ে এমন হুমকি এবং মোটা অঙ্কের টাকা দাবিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন নুরুল কবির। গ্রেপ্তার বা তুলে নিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ওই রাতে অসুস্থ হৃদরোগী নুরুল কবির বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান।

পরে ঘটনাটি কক্সবাজারের এক সাংবাদিকের নজরে এলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করা হয়। প্রাথমিকভাবে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলো যাচাই-বাছাই করে পুলিশ পরিচয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনার সঙ্গে মোহাম্মদ হোসেন নামে এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। মোহাম্মদ হোসেন হোয়ানক ইউনিয়নের  খান কালাজিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নুরুল কবির কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় ব্যবহার করে কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও টাকা দাবি করা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

দৈনিক বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


হোয়ানকে পুলিশ কর্মকর্তা ‘এসআই রাজু’ সেজে হৃদরোগীর কাছে ২ লাখ টাকা দাবি করেছে মোহাম্মদ হোসেন: থানায় জিডি

প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কালামারছড়ায় পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে এক অসুস্থ হৃদরোগীকে মোবাইল ফোনে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়ে দুই লাখ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। হুমকিতে আতঙ্কিত হয়ে ওই হৃদরোগী রাতে বাড়ি ছেড়ে চলে যান বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

ভুক্তভোগী নুরুল কবির মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব কালাজিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ফরুক আহমদের ছেলে এবং অসুস্থ হৃদরোগী বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট রাত ৯টা ৪৯ মিনিটে নুরুল কবিরের মোবাইল ফোনে একটি নম্বর থেকে কল আসে। কলকারী প্রথমে তার বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা এসেছে দাবি করে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে কলকারী নুরুল কবিরের কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করেন।

পরদিন সকাল ৮টা ৩২ মিনিটে অন্য একটি মোবাইল নম্বর থেকে আবার নুরুল কবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এ সময় কলকারী নিজেকে মহেশখালী থানার এসআই রাজু হিসেবে পরিচয় দিয়ে টাকা না দিলে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন। কলকারী ফোনে নিজেকে নোয়াখালী থেকে কথা বলছেন বলেও পরিচয় দেন।

হঠাৎ পুলিশ পরিচয়ে এমন হুমকি এবং মোটা অঙ্কের টাকা দাবিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন নুরুল কবির। গ্রেপ্তার বা তুলে নিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ওই রাতে অসুস্থ হৃদরোগী নুরুল কবির বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান।

পরে ঘটনাটি কক্সবাজারের এক সাংবাদিকের নজরে এলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করা হয়। প্রাথমিকভাবে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলো যাচাই-বাছাই করে পুলিশ পরিচয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনার সঙ্গে মোহাম্মদ হোসেন নামে এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। মোহাম্মদ হোসেন হোয়ানক ইউনিয়নের  খান কালাজিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নুরুল কবির কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় ব্যবহার করে কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও টাকা দাবি করা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

দৈনিক বাংলাদেশ


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক বাংলাদেশ