ঢাকা    রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক বাংলাদেশ

সমাজসেবার আড়ালে মেম্বার পরিচয়ে রামুতে নুরুল আমিনের ইয়াবা সাম্রাজ্য



সমাজসেবার আড়ালে মেম্বার পরিচয়ে রামুতে নুরুল আমিনের ইয়াবা সাম্রাজ্য
ছবি:ইয়াবা কারবারি নুরুল আমিন

সমাজসেবার ভূয়া মুখোশ ও মেম্বারের মিথ্যা পরিচয় ব্যবহার করে কক্সবাজারের রামুতে দীর্ঘদিন ধরে বেপরোয়া ইয়াবা কারবার চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে নুরুল আমিন প্রকাশ ‘ইয়াবা নুরাইয়া’র বিরুদ্ধে। খুনিয়াপালং ইউনিয়নের কালারপাড়া টোংগারডেবা এলাকার এই বাসিন্দা বিগত সরকার আমল থেকেই রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিশ্চিন্তে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, ইয়াবা কারবারের অবৈধ টাকা অঢেল হওয়ার পর নিজেকে রাতারাতি ‘সমাজসেবক’ হিসেবে জাহির করতে শুরু করেন নুরুল আমিন। অথচ কখনো জনপ্রতিনিধি বা মেম্বার নির্বাচিত না হয়েও সাধারণ মানুষের কাছে নিজেকে স্থানীয় ইউপি মেম্বার হিসেবে পরিচয় দেন তিনি। মূলত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে ও নিজের অপরাধ ঢাকতেই তিনি সমাজসেবা ও মেম্বার পরিচয়ের এই ভূয়া ঢাল ব্যবহার করছেন বলে দাবি এলাকাবাসীর।অনুসন্ধানে তার ইয়াবা পাচারের কৌশল সম্পর্কে জানা যায়, টেকনাফ সীমান্ত এলাকা থেকে নিজস্ব সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে প্রথমে তা আনা হয় কক্সবাজারের চন্দ্রিমা এলাকায়। সেখান থেকে কৌশল বদলে চালান নিয়ে যাওয়া হয় রামু বাইপাসে। পরবর্তীতে তা বিভিন্ন দূরপাল্লার যানবাহনে তুলে দিয়ে ঢাকাসহ দেশের নানা প্রান্তে পাচার করা হয়।নুরুল আমিনের অপরাধের ইতিহাস নতুন নয়। এর আগেও মোটরসাইকেলসহ বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালানসহ চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পৃথক অভিযানে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন এই কারবারি। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।সম্প্রতি মাদক কারবারিদের তালিকা হালনাগাদের খবরে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে এবং নিজের অপরাধ ঢাকতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন এই মাদক কারবারি। একজন চিহ্নিত ইয়াবা কারবারির এমন অভিনব প্রতারণা ও বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন স্থানীয় সচেতন মহল। একাধিক মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে সে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে উক্ত ইয়াবা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

দৈনিক বাংলাদেশ

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬


সমাজসেবার আড়ালে মেম্বার পরিচয়ে রামুতে নুরুল আমিনের ইয়াবা সাম্রাজ্য

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সমাজসেবার ভূয়া মুখোশ ও মেম্বারের মিথ্যা পরিচয় ব্যবহার করে কক্সবাজারের রামুতে দীর্ঘদিন ধরে বেপরোয়া ইয়াবা কারবার চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে নুরুল আমিন প্রকাশ ‘ইয়াবা নুরাইয়া’র বিরুদ্ধে। খুনিয়াপালং ইউনিয়নের কালারপাড়া টোংগারডেবা এলাকার এই বাসিন্দা বিগত সরকার আমল থেকেই রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিশ্চিন্তে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, ইয়াবা কারবারের অবৈধ টাকা অঢেল হওয়ার পর নিজেকে রাতারাতি ‘সমাজসেবক’ হিসেবে জাহির করতে শুরু করেন নুরুল আমিন। অথচ কখনো জনপ্রতিনিধি বা মেম্বার নির্বাচিত না হয়েও সাধারণ মানুষের কাছে নিজেকে স্থানীয় ইউপি মেম্বার হিসেবে পরিচয় দেন তিনি। মূলত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে ও নিজের অপরাধ ঢাকতেই তিনি সমাজসেবা ও মেম্বার পরিচয়ের এই ভূয়া ঢাল ব্যবহার করছেন বলে দাবি এলাকাবাসীর।অনুসন্ধানে তার ইয়াবা পাচারের কৌশল সম্পর্কে জানা যায়, টেকনাফ সীমান্ত এলাকা থেকে নিজস্ব সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে প্রথমে তা আনা হয় কক্সবাজারের চন্দ্রিমা এলাকায়। সেখান থেকে কৌশল বদলে চালান নিয়ে যাওয়া হয় রামু বাইপাসে। পরবর্তীতে তা বিভিন্ন দূরপাল্লার যানবাহনে তুলে দিয়ে ঢাকাসহ দেশের নানা প্রান্তে পাচার করা হয়।নুরুল আমিনের অপরাধের ইতিহাস নতুন নয়। এর আগেও মোটরসাইকেলসহ বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালানসহ চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পৃথক অভিযানে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন এই কারবারি। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।সম্প্রতি মাদক কারবারিদের তালিকা হালনাগাদের খবরে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে এবং নিজের অপরাধ ঢাকতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন এই মাদক কারবারি। একজন চিহ্নিত ইয়াবা কারবারির এমন অভিনব প্রতারণা ও বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন স্থানীয় সচেতন মহল। একাধিক মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে সে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে উক্ত ইয়াবা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


দৈনিক বাংলাদেশ


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক বাংলাদেশ