পা হারানো রায়হানের পাশে থাকার আশ্বাস ইউএনওর
----------
সাত মাস নি-খোঁ-জ থাকার পর বাবার কাছে ফিরে আসা লোহাগাড়ার শিশু মোহাম্মদ রায়হানের (১২) পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজিদ-বিন আখন্দ।
রায়হান ঢাকার রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় একটি চ-ক্রের কবলে পড়ে ডান পা হারিয়েছে বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
রায়হান লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের সাতগড় নয়াপাড়ার দিনমজুর নাজিমের ছেলে। সাত মাস আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে ঢাকায় নেওয়া হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। সেখানে একটি চক্র তাকে ভিক্ষাবৃত্তিতে ব্যবহার করতে ডান পা কেটে দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনাটি জানার পর রায়হানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন ইউএনও মো. বায়েজিদ-বিন আখন্দ। একই সঙ্গে তাকে প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
ইউএনও বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। বিষয়টি আমাকে নাড়া দিয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, “রায়হানের পরিবার অসহায়। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে প্র-তি-বন্ধী ভাতাসহ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
রায়হানের পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘ সাত মাস পর সন্তানকে ফিরে পেলেও তার শারীরিক অবস্থা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা উ-দ্বিগ্ন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি রায়হানের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা চান তারা।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পা হারানো রায়হানের পাশে থাকার আশ্বাস ইউএনওর
----------
সাত মাস নি-খোঁ-জ থাকার পর বাবার কাছে ফিরে আসা লোহাগাড়ার শিশু মোহাম্মদ রায়হানের (১২) পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজিদ-বিন আখন্দ।
রায়হান ঢাকার রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় একটি চ-ক্রের কবলে পড়ে ডান পা হারিয়েছে বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
রায়হান লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের সাতগড় নয়াপাড়ার দিনমজুর নাজিমের ছেলে। সাত মাস আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে ঢাকায় নেওয়া হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। সেখানে একটি চক্র তাকে ভিক্ষাবৃত্তিতে ব্যবহার করতে ডান পা কেটে দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনাটি জানার পর রায়হানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন ইউএনও মো. বায়েজিদ-বিন আখন্দ। একই সঙ্গে তাকে প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
ইউএনও বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। বিষয়টি আমাকে নাড়া দিয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, “রায়হানের পরিবার অসহায়। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে প্র-তি-বন্ধী ভাতাসহ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
রায়হানের পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘ সাত মাস পর সন্তানকে ফিরে পেলেও তার শারীরিক অবস্থা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা উ-দ্বিগ্ন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি রায়হানের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা চান তারা।
