কক্সবাজারের খুরুশকুলে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় তিন ভাইসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি প্রিয়তোষ কান্তি দেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে অপর দুই ভাই প্রাণতোষ কান্তি দে ও বিশু কান্তি দে এখনো পলাতক রয়েছেন।
গত ২০ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের উত্তর হিন্দু পাড়া এলাকা থেকে প্রিয়তোষ কান্তি দেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।
এর আগে গত ১৮ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে খুরুশকুল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর হিন্দু পাড়ার হরিপুকুর পাড় বটগাছতলা সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উত্তর হিন্দু পাড়ার বাসিন্দা নিলাপতি দের নাতি প্রমিত দে পূজা করতে মন্দিরে যাওয়ার সময় ভুলবশত বাড়ির প্রধান দরজা খোলা রেখে যান। এ সুযোগে তাঁর ব্যবহৃত শাওমি ১৩ লাইট মডেলের একটি মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে প্রিয়তোষ কান্তি দের বিরুদ্ধে।
এজাহার অনুযায়ী, বিষয়টি দেখে নিলাপতি দের ছেলে সুভাষ দে তাঁকে থামিয়ে মোবাইল ফোনটি ফেরত চাইলে প্রিয়তোষ তাঁকে মারধর করেন। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে তাঁর পিঠ ও বাম হাতের আঙুলে আঘাত করা হয়। পরে কাঠের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করার অভিযোগও রয়েছে।
সুভাষের চিৎকার শুনে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, প্রাণতোষ কান্তি দে ও বিশু কান্তি দে ধারালো দা দিয়ে সুভাষের বাবা বাবুল দেকে আঘাত করেন। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্য কাজল দে ও নিলাপতি দেকেও মারধর করা হয়। তাঁদের উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে প্রতিবেশী জন কান্তি দেকেও ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় নারীসহ একই পরিবারের চার সদস্য ও এক প্রতিবেশী আহত হন। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আহত নিলাপতি দে বাদী হয়ে প্রিয়তোষ কান্তি দে (৩৫), প্রাণতোষ কান্তি দে (৩২), বিশু কান্তি দে (২৬) এবং অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের খুরুশকুলে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় তিন ভাইসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি প্রিয়তোষ কান্তি দেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে অপর দুই ভাই প্রাণতোষ কান্তি দে ও বিশু কান্তি দে এখনো পলাতক রয়েছেন।
গত ২০ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের উত্তর হিন্দু পাড়া এলাকা থেকে প্রিয়তোষ কান্তি দেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।
এর আগে গত ১৮ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে খুরুশকুল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর হিন্দু পাড়ার হরিপুকুর পাড় বটগাছতলা সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উত্তর হিন্দু পাড়ার বাসিন্দা নিলাপতি দের নাতি প্রমিত দে পূজা করতে মন্দিরে যাওয়ার সময় ভুলবশত বাড়ির প্রধান দরজা খোলা রেখে যান। এ সুযোগে তাঁর ব্যবহৃত শাওমি ১৩ লাইট মডেলের একটি মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে প্রিয়তোষ কান্তি দের বিরুদ্ধে।
এজাহার অনুযায়ী, বিষয়টি দেখে নিলাপতি দের ছেলে সুভাষ দে তাঁকে থামিয়ে মোবাইল ফোনটি ফেরত চাইলে প্রিয়তোষ তাঁকে মারধর করেন। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে তাঁর পিঠ ও বাম হাতের আঙুলে আঘাত করা হয়। পরে কাঠের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করার অভিযোগও রয়েছে।
সুভাষের চিৎকার শুনে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, প্রাণতোষ কান্তি দে ও বিশু কান্তি দে ধারালো দা দিয়ে সুভাষের বাবা বাবুল দেকে আঘাত করেন। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্য কাজল দে ও নিলাপতি দেকেও মারধর করা হয়। তাঁদের উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে প্রতিবেশী জন কান্তি দেকেও ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় নারীসহ একই পরিবারের চার সদস্য ও এক প্রতিবেশী আহত হন। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আহত নিলাপতি দে বাদী হয়ে প্রিয়তোষ কান্তি দে (৩৫), প্রাণতোষ কান্তি দে (৩২), বিশু কান্তি দে (২৬) এবং অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
