বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারে বিএসটিআইয়ের অভিযানে ধরা পড়ল অকটেনের মাপে কারচুপি
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজার শহরে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অভিযানে একটি অকটেন সরবরাহকারী যন্ত্রে প্রতি ১০ লিটারে ৪০ মিলিলিটার তেল কম পাওয়া গেছে। এ কারণে যন্ত্রটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই অভিযানে পাঁচটি হোটেল ও বেকারিতে বিভিন্ন পণ্যের প্রয়োজনীয় সনদ না পাওয়ায় দ্রুত লাইসেন্স গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) কক্সবাজার শহরের বাজারঘাটা, পানবাজার সড়ক, হোটেল-মোটেল জোন ও কলাতলী সড়কে এ সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করে বিএসটিআইয়ের আঞ্চলিক কার্যালয়, কক্সবাজার। বিএসটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাজারঘাটার প্রধান সড়কে মেসার্স কামিনী মোহন মহাজন অ্যান্ড ব্রাদার্সের পাঁচটি ডিসপেন্সিং ইউনিট যাচাই করা হয়। এর মধ্যে একটি অকটেন সরবরাহকারী যন্ত্রে প্রতি ১০ লিটারে ৪০ মিলিলিটার তেল কম পাওয়া যায়। পরে যন্ত্রটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া পানবাজার সড়কের নূর সার্জিক্যাল প্রতিষ্ঠানে সরবরাহকারী সনদ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযানের পর প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী বিএসটিআই কার্যালয়ে যোগাযোগ করে সনদের জন্য আবেদন করেন। অভিযানে হোটেল-মোটেল জোনের সীগাল হোটেল লিমিটেড ও হোটেল দি কক্স টুডেতে ‘ডেকোরেটেড কেক’ পণ্যের সিএম লাইসেন্স এবং পণ্য মোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান দুটির ওজনযন্ত্রের ভেরিফিকেশন সনদও হালনাগাদ ছিল না। অন্যদিকে, কলাতলী সড়কের লং বিচ হোটেল লিমিটেডে বিস্কুট, ব্রেড, কেক, ডেকোরেটেড কেক ও ফিরনি পণ্যের মোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ পাওয়া যায়নি। হাসপাতাল সড়কের লাইভ বেকারিতে বিস্কুট ও ব্রেডের সিএম লাইসেন্স এবং পণ্য মোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ পাওয়া যায়নি। বিএসটিআই জানায়, সনদ না পাওয়া চারটি হোটেল ও বেকারিসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত কার্যালয়ে যোগাযোগ করে লাইসেন্স গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্টস সমিতির সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে বৈঠক করে ওজন ও পরিমাপক যন্ত্র সরবরাহকারীদের সরবরাহকারী সনদ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়, কক্সবাজারের উপপরিচালক (মেট্রোলজি) ও অফিসপ্রধান মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। এতে সহকারী পরিচালক (সিএম) রাজীব দাশ গুপ্ত, ফিল্ড অফিসার (সিএম) নাঈর আউসাফ রহমান ও পরিদর্শক (মেট্রোলজি) এস এম রুহুল ইসলাম অংশ নেন।
জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিএসটিআই।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক বাংলাদেশ