চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এসময় এক বিচারপ্রার্থীকে হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে।বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালত ভবনের সামনে সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবীরা জানান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একপেশে নির্বাচন আয়োজনের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করছিল জামায়াত ও এনসিপি-সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ। একই সময়ে বিএনপি-সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদের নেতাকর্মীরাও সেখানে অবস্থান নেন।বিক্ষোভ চলাকালে আদালতে আসা এক বিচারপ্রার্থীকে ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবী অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েছেন। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন আইনজীবী দাবি করেন, তারা এমন কোনো স্লোগান শোনেননি।চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী আবু বকর মো. ওমর আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘অভিযোগের পর কয়েকজন আইনজীবী ওই ব্যক্তিকে ঘিরে ধরেন। এসময় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদের অর্থ সম্পাদক পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল মনসুর তার কলার ধরে টেনে নিয়ে যান এবং মারধরের চেষ্টা করেন।’পরে উপস্থিত অন্য আইনজীবীরা হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। কিছু সময় পর ওই বিচারপ্রার্থীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।ঘটনার পর আদালত এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মামলা বা আটক হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।এ ঘটনায় আদালতপাড়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বারের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাসান আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি এরকম কোনো অভিযোগ পাইনি এবং কেউ অভিযোগ করেনি। যদি কেউ ‘জয় বাংলা’ বলে থাকে সেটা অবশ্যই অপরাধ। কারণ এটা নিষিদ্ধ স্লোগান। অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এসময় এক বিচারপ্রার্থীকে হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে।বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালত ভবনের সামনে সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবীরা জানান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একপেশে নির্বাচন আয়োজনের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করছিল জামায়াত ও এনসিপি-সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ। একই সময়ে বিএনপি-সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদের নেতাকর্মীরাও সেখানে অবস্থান নেন।বিক্ষোভ চলাকালে আদালতে আসা এক বিচারপ্রার্থীকে ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবী অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েছেন। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন আইনজীবী দাবি করেন, তারা এমন কোনো স্লোগান শোনেননি।চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী আবু বকর মো. ওমর আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘অভিযোগের পর কয়েকজন আইনজীবী ওই ব্যক্তিকে ঘিরে ধরেন। এসময় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদের অর্থ সম্পাদক পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল মনসুর তার কলার ধরে টেনে নিয়ে যান এবং মারধরের চেষ্টা করেন।’পরে উপস্থিত অন্য আইনজীবীরা হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। কিছু সময় পর ওই বিচারপ্রার্থীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।ঘটনার পর আদালত এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মামলা বা আটক হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।এ ঘটনায় আদালতপাড়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বারের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাসান আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি এরকম কোনো অভিযোগ পাইনি এবং কেউ অভিযোগ করেনি। যদি কেউ ‘জয় বাংলা’ বলে থাকে সেটা অবশ্যই অপরাধ। কারণ এটা নিষিদ্ধ স্লোগান। অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’
