ঢাকা    রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলাদেশ

পলাতক থেকে রোহিঙ্গা রশিদ আলম মাঝিকে দিয়ে রাতদিন পাহাড় কাটানোর অভিযোগ

দুটি মামলা খেয়েও থামেনি নুরুল আলমের পাহাড় কাটা



দুটি মামলা খেয়েও থামেনি নুরুল আলমের পাহাড় কাটা
পাহাড় খেকো নুরুল আলম

কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে সরকারি পাহাড় কেটে প্লট তৈরির অভিযোগে নুরুল আলমের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হলেও বন্ধ হয়নি পাহাড় কাটা। বরং অভিযুক্ত নুরুল আলম আত্মগোপনে থেকে রোহিঙ্গা রশিদ আলম মাঝিকে দিয়ে রাতদিন পাহাড় কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের পরিদর্শন ও মামলার পরও পাহাড় কেটে মাটি সরিয়ে নেওয়ার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এতে ঝুঁকির মুখে পড়ছে পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও আশপাশের জনবসতি।

সরেজমিন দেখা গেছে, কলাতলী মহাসড়কের পাশে বিকাশ বিল্ডিংয়ের পেছনে প্রায় ১০ একর আয়তনের একটি সরকারি পাহাড় গত ছয় মাস ধরে কাটা হচ্ছে। ঝিলংজা মৌজার ১৭০৫০ দাগভুক্ত পাহাড় শ্রেণির ওই জমিতে একাধিক স্থানে মাটি কেটে প্লট তৈরি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে পাহাড়ের বিভিন্ন অংশ কেটে ১৫ থেকে ২০টি প্লট তৈরি করা হয়েছে। ডাম্পারযোগে এসব মাটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, পাহাড় কাটার ঘটনায় নুরুল আলমের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে একটি পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এবং অন্যটি কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশের পক্ষ থেকে ইমারত নির্মাণ আইনে দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, মামলা হওয়ার পর নুরুল আলম এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা না করলেও পাহাড় কাটার কার্যক্রম থামেনি। তার পরিবর্তে রশিদ আলম মাঝিকে দিয়ে শ্রমিক লাগিয়ে দিন-রাত পাহাড় কাটছেন। দুটি মামলা হওয়ার পরও কীভাবে প্রকাশ্যে পাহাড় কাটা চলছে? বিষয়টি তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা পাহাড়টি পরিদর্শন করেছিলেন। কিন্তু পরিদর্শনের পরও পাহাড় কাটা বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগে ৪ মে পাহাড় কাটার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর প্রশাসনের একটি দল সেখানে অভিযান চালাতে যায়। তবে ওই অভিযানে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, বিকাশ বিল্ডিং এলাকার পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কাছে তিনি এ বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন। তখন তারা ‘প্রশাসন ম্যানেজ করেছেন’ বলে দাবি করেন। পাহাড় কাটতে নিষেধ করলেও তারা তা মানছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। ইউপি সদস্যের এই বক্তব্যের সত্যতা এবং প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সঙ্গে অবৈধ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইউনুসের অভিযোগ, ২০২৪ সালে একই এলাকায় প্রশাসনের অভিযানে একটি এস্কেভেটর জব্দ করা হয়েছিল। তৎকালীন সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ উল্লাহ নিজামী সেটি তার জিম্মায় দেন। পরদিন একদল অস্ত্রধারী ব্যক্তি তাকে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জব্দ করা এস্কেভেটরটি নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তিনি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করেন। কলাতলীর ওই পাহাড়ে একাধিক ব্যক্তি আলাদাভাবে পাহাড় কেটে প্লট তৈরি করছেন। এ কাজে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগের তালিকায় ঈদগাঁও উপজেলার মৃত নুরুল কবিরের ছেলে নুরুল আলম, কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের লাইটহাউস এলাকার হামিদ হোসেনের ছেলে মুনিব খান, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইরফান আলী ভূঁইয়া, চৌফলদণ্ডীর সাজ্জাদ, চট্টগ্রামের আতিকুল ইসলাম শিবলী, সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম, মহিউদ্দিন টিটু, ডাম্পার মালিক হালেক ও উখিয়ার ইলিয়াছের নাম এসেছে।

পাহাড় কাটার সময় এক শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলার তথ্য তুলে ধরে স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই শ্রমিক নিজেকে মিয়ানমারের বাসিন্দা এবং পাহাড়ের কেয়ারটেকার হিসেবে পরিচয় দেন। দৈনিক মজুরিতে অনেক শ্রমিক সেখানে পাহাড় কাটতে আসেন। বিভিন্ন ব্যক্তি আলাদাভাবে পাহাড় কেটে প্লট তৈরি করছেন বলেও তিনি জানান।

পরিবেশবাদী সংগঠন ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির (ইয়েস) প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন বলেন, পাহাড় কেটে মাটি ডাম্পারের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে পাহাড়ের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধসের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। মহাসড়কের পাশে এভাবে পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় অচিরেই বিশাল পাহাড়টি হারিয়ে যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে এসে সরকারি পাহাড় দখল, ক্রয়-বিক্রয় এবং পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের প্রবণতা বন্ধে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

স্থানীয়রা বলছেন, পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে মামলা ও প্রশাসনিক পরিদর্শনের পরও কার্যকরভাবে কাজ বন্ধ করা না যাওয়ায় দখলদাররা উৎসাহিত হচ্ছেন। তারা অবিলম্বে পাহাড় কাটা বন্ধ, মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহনের বিষয়ে তদন্ত, জড়িতদের শনাক্ত এবং সরকারি পাহাড়ের সীমানা নির্ধারণ করে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পাহাড় কাটার অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুল আলম বলেন, আমি প্রায় এক বছর আগে পাহাড় কেটেছিলাম। বর্তমানে পাহাড় কাটার সাথে আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। এখন নতুন করে আমি কোনো পাহাড় কাটছি না, কাউকে দিয়েও পাহাড় কাটানোর নির্দেশও দিচ্ছি না। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলো শত্রুতামূলকভাবে করা হচ্ছে।

দৈনিক বাংলাদেশ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


দুটি মামলা খেয়েও থামেনি নুরুল আলমের পাহাড় কাটা

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে সরকারি পাহাড় কেটে প্লট তৈরির অভিযোগে নুরুল আলমের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হলেও বন্ধ হয়নি পাহাড় কাটা। বরং অভিযুক্ত নুরুল আলম আত্মগোপনে থেকে রোহিঙ্গা রশিদ আলম মাঝিকে দিয়ে রাতদিন পাহাড় কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের পরিদর্শন ও মামলার পরও পাহাড় কেটে মাটি সরিয়ে নেওয়ার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এতে ঝুঁকির মুখে পড়ছে পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও আশপাশের জনবসতি।

সরেজমিন দেখা গেছে, কলাতলী মহাসড়কের পাশে বিকাশ বিল্ডিংয়ের পেছনে প্রায় ১০ একর আয়তনের একটি সরকারি পাহাড় গত ছয় মাস ধরে কাটা হচ্ছে। ঝিলংজা মৌজার ১৭০৫০ দাগভুক্ত পাহাড় শ্রেণির ওই জমিতে একাধিক স্থানে মাটি কেটে প্লট তৈরি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে পাহাড়ের বিভিন্ন অংশ কেটে ১৫ থেকে ২০টি প্লট তৈরি করা হয়েছে। ডাম্পারযোগে এসব মাটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, পাহাড় কাটার ঘটনায় নুরুল আলমের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে একটি পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এবং অন্যটি কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশের পক্ষ থেকে ইমারত নির্মাণ আইনে দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, মামলা হওয়ার পর নুরুল আলম এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা না করলেও পাহাড় কাটার কার্যক্রম থামেনি। তার পরিবর্তে রশিদ আলম মাঝিকে দিয়ে শ্রমিক লাগিয়ে দিন-রাত পাহাড় কাটছেন। দুটি মামলা হওয়ার পরও কীভাবে প্রকাশ্যে পাহাড় কাটা চলছে? বিষয়টি তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা পাহাড়টি পরিদর্শন করেছিলেন। কিন্তু পরিদর্শনের পরও পাহাড় কাটা বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগে ৪ মে পাহাড় কাটার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর প্রশাসনের একটি দল সেখানে অভিযান চালাতে যায়। তবে ওই অভিযানে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, বিকাশ বিল্ডিং এলাকার পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কাছে তিনি এ বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন। তখন তারা ‘প্রশাসন ম্যানেজ করেছেন’ বলে দাবি করেন। পাহাড় কাটতে নিষেধ করলেও তারা তা মানছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। ইউপি সদস্যের এই বক্তব্যের সত্যতা এবং প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সঙ্গে অবৈধ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইউনুসের অভিযোগ, ২০২৪ সালে একই এলাকায় প্রশাসনের অভিযানে একটি এস্কেভেটর জব্দ করা হয়েছিল। তৎকালীন সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ উল্লাহ নিজামী সেটি তার জিম্মায় দেন। পরদিন একদল অস্ত্রধারী ব্যক্তি তাকে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জব্দ করা এস্কেভেটরটি নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তিনি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করেন। কলাতলীর ওই পাহাড়ে একাধিক ব্যক্তি আলাদাভাবে পাহাড় কেটে প্লট তৈরি করছেন। এ কাজে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগের তালিকায় ঈদগাঁও উপজেলার মৃত নুরুল কবিরের ছেলে নুরুল আলম, কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের লাইটহাউস এলাকার হামিদ হোসেনের ছেলে মুনিব খান, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইরফান আলী ভূঁইয়া, চৌফলদণ্ডীর সাজ্জাদ, চট্টগ্রামের আতিকুল ইসলাম শিবলী, সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম, মহিউদ্দিন টিটু, ডাম্পার মালিক হালেক ও উখিয়ার ইলিয়াছের নাম এসেছে।

পাহাড় কাটার সময় এক শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলার তথ্য তুলে ধরে স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই শ্রমিক নিজেকে মিয়ানমারের বাসিন্দা এবং পাহাড়ের কেয়ারটেকার হিসেবে পরিচয় দেন। দৈনিক মজুরিতে অনেক শ্রমিক সেখানে পাহাড় কাটতে আসেন। বিভিন্ন ব্যক্তি আলাদাভাবে পাহাড় কেটে প্লট তৈরি করছেন বলেও তিনি জানান।

পরিবেশবাদী সংগঠন ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির (ইয়েস) প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন বলেন, পাহাড় কেটে মাটি ডাম্পারের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে পাহাড়ের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধসের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। মহাসড়কের পাশে এভাবে পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় অচিরেই বিশাল পাহাড়টি হারিয়ে যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে এসে সরকারি পাহাড় দখল, ক্রয়-বিক্রয় এবং পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের প্রবণতা বন্ধে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

স্থানীয়রা বলছেন, পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে মামলা ও প্রশাসনিক পরিদর্শনের পরও কার্যকরভাবে কাজ বন্ধ করা না যাওয়ায় দখলদাররা উৎসাহিত হচ্ছেন। তারা অবিলম্বে পাহাড় কাটা বন্ধ, মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহনের বিষয়ে তদন্ত, জড়িতদের শনাক্ত এবং সরকারি পাহাড়ের সীমানা নির্ধারণ করে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পাহাড় কাটার অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুল আলম বলেন, আমি প্রায় এক বছর আগে পাহাড় কেটেছিলাম। বর্তমানে পাহাড় কাটার সাথে আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। এখন নতুন করে আমি কোনো পাহাড় কাটছি না, কাউকে দিয়েও পাহাড় কাটানোর নির্দেশও দিচ্ছি না। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলো শত্রুতামূলকভাবে করা হচ্ছে।


দৈনিক বাংলাদেশ


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক বাংলাদেশ