ঢাকা    শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
দৈনিক বাংলাদেশ

তরুণীদের উদ্ভাবনী উদ্যোগে জলবায়ু সংকট মোকাবিলার নতুন সম্ভাবনা

কক্সবাজারে আমাল ফাউন্ডেশনের ক্লাইমেট হ্যাকাথন অনুষ্ঠিত



কক্সবাজারে আমাল ফাউন্ডেশনের ক্লাইমেট হ্যাকাথন অনুষ্ঠিত
জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণীদের নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে সামনে এনে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে “ক্লাইমেট হ্যাকাথন”। আমাল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং “ফিউচার রুটস: ক্লাইমেট হাব ফর ইয়ুথ” কর্মসূচির আওতায় বৃহস্পতিবার (২১ মে) শহরের হোটেল সী মুনে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

“ক্লাইমেট ক্যাটালিস্ট ফেলোশিপ ফর গার্লস” কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এই হ্যাকাথনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত তরুণীরা অংশ নেন। তারা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় পরিবেশ সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, টেকসই জীবিকায়ন, নারীর ক্ষমতায়ন ও কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স নিয়ে বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে বক্তব্য দেন আমাল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ইশরাত করিম। তিনি বলেন, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তরুণী ও নারীদের নেতৃত্ব বিকাশ সময়ের দাবি। দক্ষ ও মানবিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে তরুণদের জন্য এখন থেকেই কার্যকর বিনিয়োগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজারের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (এনজিও সেল) মো. আজাহার উদ্দিন এবং ইউএন উইমেন কক্সবাজার সাব-অফিসের প্রধান সিলিয়া রাজেন্দার।

বক্তারা জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে তরুণদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, নারীর নেতৃত্ব বিকাশ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন সামিরা মেহনাজ ও লামিয়া মাইশা। বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. রাহুল ম্যাথিউ, এ কে এম আজাদ রহমান, অ্যালিসা ম্যারি রুসো, ফাতেমা তুজ জোহরা এবং তামান্না রাব্বানী।

হ্যাকাথনে উপস্থাপিত প্রকল্পগুলোর কার্যকারিতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে পাঁচটি প্রকল্পকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। নির্বাচিত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে সহায়তা দিতে আমাল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয় এবং বিজয়ীদের হাতে প্রতীকী চেক তুলে দেওয়া হয়।

সমাপনী বক্তব্যে ইশরাত করিম বলেন, তরুণদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের শক্তিই ভবিষ্যতের জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাইমেট হ্যাকাথনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

দৈনিক বাংলাদেশ

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


কক্সবাজারে আমাল ফাউন্ডেশনের ক্লাইমেট হ্যাকাথন অনুষ্ঠিত

প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬

featured Image
জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণীদের নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে সামনে এনে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে “ক্লাইমেট হ্যাকাথন”। আমাল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং “ফিউচার রুটস: ক্লাইমেট হাব ফর ইয়ুথ” কর্মসূচির আওতায় বৃহস্পতিবার (২১ মে) শহরের হোটেল সী মুনে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

“ক্লাইমেট ক্যাটালিস্ট ফেলোশিপ ফর গার্লস” কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এই হ্যাকাথনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত তরুণীরা অংশ নেন। তারা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় পরিবেশ সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, টেকসই জীবিকায়ন, নারীর ক্ষমতায়ন ও কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স নিয়ে বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে বক্তব্য দেন আমাল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ইশরাত করিম। তিনি বলেন, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তরুণী ও নারীদের নেতৃত্ব বিকাশ সময়ের দাবি। দক্ষ ও মানবিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে তরুণদের জন্য এখন থেকেই কার্যকর বিনিয়োগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজারের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (এনজিও সেল) মো. আজাহার উদ্দিন এবং ইউএন উইমেন কক্সবাজার সাব-অফিসের প্রধান সিলিয়া রাজেন্দার।

বক্তারা জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে তরুণদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, নারীর নেতৃত্ব বিকাশ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন সামিরা মেহনাজ ও লামিয়া মাইশা। বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. রাহুল ম্যাথিউ, এ কে এম আজাদ রহমান, অ্যালিসা ম্যারি রুসো, ফাতেমা তুজ জোহরা এবং তামান্না রাব্বানী।

হ্যাকাথনে উপস্থাপিত প্রকল্পগুলোর কার্যকারিতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে পাঁচটি প্রকল্পকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। নির্বাচিত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে সহায়তা দিতে আমাল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয় এবং বিজয়ীদের হাতে প্রতীকী চেক তুলে দেওয়া হয়।

সমাপনী বক্তব্যে ইশরাত করিম বলেন, তরুণদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের শক্তিই ভবিষ্যতের জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাইমেট হ্যাকাথনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

দৈনিক বাংলাদেশ


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক বাংলাদেশ