অপরাধ দমনে ‘কঠোর’ এসআই ইকবাল, অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে অপপ্রচার!
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
মহেশখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইকবালের বিরুদ্ধে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, অনৈতিক সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে বিতর্কিত করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে।
সম্প্রতি এসআই ইকবালের বিরুদ্ধে সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের সঙ্গে তুলনা টেনে বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হয়েছে এবং কথিত ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তা চেয়েছে বলেও প্রচার করা হচ্ছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহেশখালী থানায় দায়িত্ব পালনকালে এসআই ইকবাল অপরাধ দমন, অস্ত্রধারী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।
একজন স্থানীয় সাংবাদিকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এর আগে মহেশখালী থানায় দায়িত্ব পালন করা এসআই মহসিন চৌধুরী পিপিএম অল্প সময়ের দায়িত্বকালেই বিভিন্ন মামলার আসামি গ্রেপ্তার ও অপরাধ দমনে সক্রিয়তার কারণে আলোচনায় এসেছিলেন। মাত্র দেড় মাসের মতো দায়িত্ব পালন করেও তিনি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামি, বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ও বিভিন্ন মামলার পলাতক ৪৪ জন এবং বিভিন্ন মামলার আরও ৩১৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয়েছিলেন।
বর্তমান এসআই ইকবালের কার্যক্রমেও অনেকে সেই সাহসী ও সক্রিয় পুলিশিংয়ের ছাপ দেখতে পাচ্ছেন। বিশেষ করে অপরাধী, সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার কারণে তিনি স্থানীয়ভাবে একজন সক্রিয় পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন।
তবে কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করে তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই হওয়া জরুরি। একইভাবে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রমাণ ছাড়া অপপ্রচার চালানোও কাম্য নয়।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, মহেশখালীর মানুষ এমন পুলিশ চান, যারা অন্যায়ের সঙ্গে আপস করবেন না, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াবেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগভাবে কঠোর থাকবেন।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক বাংলাদেশ