কক্সবাজারে সাংবাদিকের বাড়ি থেকে চুরি হওয়া মোবাইল ও গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস উদ্ধার
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
কক্সবাজার শহরের কলাতলী বিজয়নগর আবাসিক এলাকায় সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র প্রযোজক মোহাম্মদ সেলিমের বসতবাড়িতে চুরির ঘটনায় চুরি যাওয়া অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস উদ্ধার করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে কলাতলী বিজয়নগর আবাসিক এলাকার ওই বাসায় ঢুকে একদল চোর নগদ টাকা, অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, ওয়ালেটসহ বেশ কিছু মূল্যবান সামগ্রী ও গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হলে দ্রুত অভিযানে নামে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। থানার এসআই আবু তাহেরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল চোরচক্রের সম্ভাব্য আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরচক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে ওই আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে সাংবাদিক মোহাম্মদ সেলিমের চুরি যাওয়া একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে চুরি-ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে।
পরে উদ্ধার করা মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস দ্রুত প্রকৃত মালিক সাংবাদিক মোহাম্মদ সেলিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
চুরি যাওয়া মালামাল দ্রুত উদ্ধার হওয়ায় পুলিশের প্রতি সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী সিনিয়র সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র প্রযোজক মোহাম্মদ সেলিম।
তিনি কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই আবু তাহের, কনস্টেবল সাইফুল, পিয়াল বড়ুয়াসহ অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
সাংবাদিক মোহাম্মদ সেলিম কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলীর প্রতিও বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ওসি শেখ মোহাম্মদ আলীর সঠিক নির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতায় পুলিশ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করে চুরি যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। পুলিশের এমন তৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়।
তিনি আরও বলেন, চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করে। ভবিষ্যতেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের এমন তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।
এদিকে, সাংবাদিকের বাড়িতে চুরির ঘটনায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মালামাল উদ্ধার করায় স্থানীয়দের মধ্যেও পুলিশের প্রতি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক বাংলাদেশ